হিউগোর নটর ডেইম, প্যারিস
তরুন বড়ূয়া : দৈন্যতায় আর শূন্যতায় যখন ছাত্র জীবন অনেকটা র্অথহীন হয়ে উঠেছিল। বিশ্ববিদ্যালয়কে ছেড়ে যেতে চাই, কিন্তু কিছুতে হবে না। পরীক্ষা হয় না। পাশ হয় না। চাকরী নেই কোথাও। ছিল না শরৎ- যুগেও। এ সময়টাকে-বেশ ভাল একটা সময় বলতে হবে। চিন্তা করবার। কারন, প্রেসারে আর স্ট্রেসে না থাকলে চিন্তাকরতে মন চায় না। সিগারেট ফুকতে আরম্ভ করলাম। বেশ ভাল লাগছিল। বিশ্ববিদ্যালযের তখনকার চলতি লেঙ্গুয়েজ। ফ্রাস্টেশন। ফ্রাস্টেশনে ভুগছিলাম। ছাত্রাবাসে আবার, কেহ, কেহ গাঁজা পান করত । কিশোর কুমারের গানের কলিতে বলত একটানেতে রাজা উজির দু’ টানেতে সূখি।বলত, দোস্ত ফ্রাস্টেশনে আছিরে।
নিশ্চয়ই,এখানে কোন রেশান্যাল নেই। আবার কারনো আছে। নিজেকে মনে হয়েছে ভিক্টর হিউগোর কোয়াসিমোডো। অসহায় মুর্হূত্বগুলিতে কত না উপলব্ধি করেছি। জীবনে কি হবে? আমি “হাঞ্চবেক্ অব নটর ডেইম” বেছে নিই আমার বুক লিস্টে এ’ অর্থহীণ সময়টাতে।
এ ‘ ধরনের মন্দ সময় সবার কী আসে? সবার নয়,কারো, কারো আসে। সেই আসাটা আবার এক সময় বিরাট একটা পূঁজী হয়ে প্রকাশ পায়। তাই তো! প্রশ্ন ছিল? ভিক্টরের বইয়ের চরিত্রগুলো কী সবার? না! শুধু আমার?
তবে। তিনি বা আমি একা নই। অনেক। এবার তা’ হলে দেখা শুরু হোক। নটের ডেম!!! হিউগোর উপন্যাস নটর ডেম দ্যি প্যারীস,১৮৩১ সালে ইংরজীতে অনুবাদ হয় “হাঞ্চ বেক্ অব নটর ডেইম”। এই নামটা মানুষের মন কেড়ে নেয় বিশ্ব সাহিত্যে এবং হয়ে যায় কালজয়ী একটা বই।
ভিক্টর হিউগো কি সাধে এই কেথেড্যাল অব নটর ডেম নিয়ে লিখতে গেছেন? আমি প্যারীসের নটর ডেমে এসে, নিজের চোখে নয়, হিউগোর চোখে দেখতে থাকলাম। খুটিয়ে, অনুসন্ধান করতে লাগলাম; কোনটা হবে তোরণ? সেই প্রকান্ড বৃক্ষ দিয়ে তোরন ভেঙ্গে ছিল্? তাইতো! ঠিকই আছে, সেই চূড়ার ঘন্টা।
১৪৮২ সালের এ’ সংগীন ঘঠনা। বিষময় তো বটেই। আবার অকাতবে করুনার সাগরে দরদে ভেসে গিয়েছিল পাঠক কুল।
১৮৩১ সালের জানুয়ারী মাসে এ’ বই টি ছাপা হয়। সে অবধী। বইটি এত সমাদৃত হয়েছিল যে, সম্ভবত সব পুরসিয়ানরা একটা কপি রেখেছিলেন। ভিক্টরের এ’ উপন্যাস “হাঞ্চ বেক্ অব নটর ডেম” ছিল প্যারিসের জন্যে আর্শীবাদ স্বরূপ।হ্যাঁ, অবশ্যই। আমি সামনে প্রকান্ড মাঠে ছবি তুলছি, আর যত কল্পনা আর ইতিহাস প্রায় আমাকে পাগল করে তুলছিল,বিশেষ করে সে পরিবেশে। আমি এত বেশি ইমোশন্যাল বা সমিত্ব হারিয়েছে, বলা চলে॥
কিনতু আমার কেবলি মনে হয়েছিল, স্বল্প কালের জন্যে হলেও জীবন সার্থক হয়েছে। যে উপন্যাস পড়ে মনে হয়েছিল, হলাম না কিছু। তাতে আছে বা কী? কিন্তু হিউগো পড়লাম, এইত বেশ। যৌবনে যা হয় সবার। তবে এ’ যৌবন শ্বাশত, অনন্তকালের। কেমন! র্স্পশকাতর আর ভালবাসায় তরল না হয়েছিলাম। কোয়সিমোডো! প্রধান চরিত্র। আমি জানি না, অন্য র্দশকরা কি দেখছেন। আমি কল্পনায় দেখতে পাচ্ছি, কোয়াসিমোডেকে ঝুলন্ত প্রকান্ড ঘন্টার উপড়ে।
হিউগো তাঁর এই মহা পুস্তকে নটর ডেম কেথেড্রলের বিশদ র্বননা কবেছেন। কালের এবং সময়ের সাথে এখনো শ্রদ্ধা ভরে এ্খনো আছে। তৎকালীন প্যারীসের সুরম্য গোথিক আর্কিটেকচারের বিস্তারিত ব্যাখ্যা তিনি দিতে একটু র্কাপন্য করেন নি। এই সেই গোথীক প্যারিস। আজো অনেকটা অপরির্বতিত আছে, অন্তত এখানে। সেইন নদী এখানে দ্বীপ নিয়ে খুব একটা প্রসস্ত নয় । তেরশতক এবং চৌদ্দশতকে র্পযন্ত এই কেথেড্রলের আবেদন ছিল সীমাহীন। ফ্রাঞ্চের সেন্টার বলা হতো। নদীর দু’পাড়ের সব রাস্তার সাথে যোগহয়েছে সহজে। সবগুলো গুবুত্বপূর্ণ স্থানগুলো এমনকি র্বতমানে এ কেথেড্রলের সাথে সহজ যোগাযোগ বয়েছে।
মধ্য যুগের প্রথমদিকের একটা প্রচলিত ধারনা ছিল, র্চাচের লোকেশন হতে হবে জলধারার নিকটে। মনে হবে জাহাজ যেন গাংগে নোংগর করতে যাচ্ছে। প্যারিসের এই নটর ডেমের চাইতে আর কি ভাল লোকেশন হতে পাবে। ফ্রেঞ্চ অক্যাদিমী ফেলে আসলে, দেখা যাবে, নটর ডেম। ল্যাতিন কোর্য়াটার ছেড়ে আসতে থাকলে;নেপোলীযনের রাজপ্রাসাদ ছেড়ে আসতে দেখা যাবে নটর ডেমকে। মোদ্দা কথায় মনে হবে। আসলেই একটা প্রকান্ড জাহাজ সেইন নদীর পাড়ে দাড়িয়ে আছে।
একটু ইতিহাস না দিলে লেখাটায় বল পাচ্ছি না। ইতিহাসঃ রোমানদেব হাতে র্নিমীত হয়, টেম্পল টু জুপিটার। পড়ে খৃষ্টীয় চার্চে পরিনত হয়। প্রথমে কেথেড্র্যল অব সেন্ট ইতায়নী ৫২৮ সালে আরম্ভ হয়।
১১৬৩ সালে বিশপ মরিস দ্যা সালী নটর ডেম পুন র্নিমান কাজ হাতে নেন। আগে ছিল রোমনযুগের একটা টেম্পল। সেই থেকে আরো দুশত বছর পেরিয়ে গেছে, তবুও পুরো পুরি সমাপ্ত হয়নি। ফরাসী ইতিহাসের সকল অধ্যাযের সাথে এই নটর ডেইম জড়িত। ১৪৩০ সালে ইংলেন্ডের রাজকুমার হেনরী ষস্ট এখানে রাজমুকুট গ্রহন করেন।
১৭৮৯ সালে বিপ্লবের সময় বিপ্লবীরা উত্তেজনার মুর্হূতে নটের ডেমকে ধূলিস্বাত করবার জন্যে মরিয়া হয়ে উঠে। প্রচুর লুট হয়। বিপ্লবীরা খাবারের গুদাম হিসেবে ব্যবহার করেছিলেন,এ কেথেড্যলকে। পারিসিয়ানরা ঘৃনিত ফরাসী রাজাদেব স্টেচ্যু নটরডেম হতে ছুড়ে মারে। চালাক ফরাসী বিপ্লবের পরাক্রমশালী নেতা রবেসপিয়ার ধর্মীয় অনুভূতিকে কাজে লাগায় সে সময়ে। ন্যায়ের দেবীর হাতে তুলে দেন, এ’ নটর ডেমকে।
এই ফরাসী বিপ্লবের সময়ে রাজার সাথে যোগ সন্দেহে, জনগন অনেক কেথেড্রলের সেইন্টদেরকে শিরচ্ছেদ করেন।
কিন্তু বেঁচে যায় নটর ডেম, আসন্ন ধ্বংসের মুখ হতে অনেকটা ভাগ্যেব সুবাদে। বহু র্মমদন্ত যুদ্ধ, অত্যাচার এবং আবার অনেক গৌরবের ইতিহাসের স্বাক্ষী হয়ে দাড়িয়ে আছে।
নেপোলীয়ন ১ম সংরক্ষনের কাজ হাতে নেন। যাতে পুরনো ঐতিহ্য হিসেবে এই কেথেড্রলে স্রমাটের মুকুট তিনি পড়তে পারেন। ১৮০৪ সালে তিনি রাজমুকুট গ্রহন করেন। ১৮৪৪ হতে ১৮৬৪ সালের মধ্যে আর্কিটেক্ট ভায়োলেট লে ডুক প্রকান্ড ভাবে র্পুণর নিমানের কাজ করেন।
এবার হিউগোর পালা। দু’ দশক পরে ভিক্টর হিউগোর হাতে অখ্যাত দু’টি চরিত্র আবিষ্কার হলো। হাঞ্চ বেক্ ‘কোয়াসিমোডো’ আর ভাগ্যহীনা এস্মেরেলদা। এই দু’ টি অবাঞ্চিত মানব, মানবী দিয়ে হিউগো নটের ডেমকে নতুন রোমেন্টিক জীবন দিয়েছেন শুধু নয়। পারসিয়ানদেব অন্তব হতে এটাকে রক্ষা করবার অনুভূতি জাগ্রত করেছেন। ফরাসীরা ভালবেসেছেন নটর ডেমকে, কারন হিউগোর উপন্যাস হাঞ্চবেক্ -এ নটর ডেম ক্যাথেড্রলকে প্রধান চরিত্র করে তুলেছেন। ধর্মীয় কুশাষন, মৌলবাদী উম্মাদনা, সামাজিক অবিচার হিউগো এত নিখুতভাবে চিত্রায়িত করেছেনএই ক্যাথেড্রলের সাথে। কোয়সিমোডো প্রধান চরিত্র না হয়ে নটর ডেম হয়েছে প্রধান কেন্দ্রিয় চরিত্র। ভিক্টর হিউগো সরক্ষন করেছেন লেখা দিযে নটর ডেমকে সব চাইতে বেশী। সম্রাট নেপোলীয়ন কিংবা মরিস অথবা জেনারেল গুয়েলে। কেহ হিউগোর সমান মাপে আসবে না কারন, হিউগো রিননোভেসন করেন নি বিল্ডিংয়ের তিনি কবেছেন পুরসিয়ানদেও জাতীগতভাবে। পুরসিয়ানদের ভালবাসা তিনি আদায় করে নিয়েছেন মমত্ববোধ আর চিরঞ্জীব স্লাগা দিয়ে।
ধ্বংসের হাত হতে আরো একবার বেঁচে যায়। এবার স্বয়ং কম্মিউনে। ১৮৭১ সালে। জমায়েতের জায়গায়, এত বেশি নোংরা চেয়ার জমা হয়েছিল যে পুরিয়ে ফেলা ছাড়া আর কোন গতি ছিল না। বোকা মিউনিসিপালটি আদেশ কবে র্গীজা সহ জ্বালিয়ে দাও। কিন্তু ফরাসীরা আগুনের মত ঝাপিয়ে পড়ে। কারন একটা মাত্র অনুভূতি। নটের ডেম আমাদেব, ফরাসীদের ঐতিহ্য, ফরাসীদের ইতিহাস, তাঁদের গৌরব । নটর ডেমকে আগুনে আর ছুতে পারবে না। ভিক্টব হিউগো এ’ সম্মান পেয়েছেন।তবে মৃত্যুর পরে।
পরের দিন সকালে আমি ভিক্টব হিউগোর বাস ভবন দেখতে যাই। পেলেস দ্যা বাস্তিল হতে নীচের দিকে সামনে হেঁটে আমি বামে সম্রাটের পেলেসের দিকে যেতে থাকলাম।
মনে হলো, আমি হিউগোর মত রোমেন্টিক কবি কিংবা লেখক। এই সব ইতিহাসের জায়গায়, বিশেষত: প্যারিসের মত জায়গায়। সব রাজপথ, জনপদ কমমিউনে, কিংবা প্রাসাদ সবই অমূল্য ইতিহাসে আর র্দূলভ শিল্পে পরিফর্’ণ। আমি এখানে শ্রম দিয়ে উর্পাজন বা নব জীবনের আস্বাদের জন্যে আসিনি। তাই আমার অবস্থান ছিল একটু ব্যতিক্রম। আর কত বার গেলে আমি প্যারিসকে জানতে পারব? বোধ করি এ’ জীবনে হবার নয়। ফ্রাঞ্চ তো দূরের কথা। এই হলো সভ্যতা, শীল্প আর সাহিত্য; সৌর্ন্দযে পরিফর্’ন। মানবতায় মলিনতা আসেনি কোন দিন। এই সেই সৌভাগ্যবতি, প্যারীস। হিউগো ফ্রাঞ্চ যোগ হয়ে গেছে, “লা মিজারেবল”-এর সাথে বিশ্ব সাহিত্যে।
“লা মিজারেবল” প্রথম যখন পড়ি বুঝিনি ভালভাবে। তবে পড়ে বহুবার নাড়াচাড়া করতে হয়েছে। ১৯ বছর জেল খেটেঁছেন জ্যাঁ ভাঁলজা মাত্র একটা রূটি চুরির দায়ে। হিউগোও ১৯ বছরের বেশী স্বেছ্চা র্নিবাসন করেন প্রিয় প্যারিস ছেড়ে। ১৮৫১ সালে যখন, নেপোলীয়ন ৩য় যখন অভ্যুথান করেন, তখন হিউগো বুঝে নেন; এবার আর নয়। এই বিশ বছরের র্নিবাসন তাঁর জন্যে আর্শিবাদ স্বরূপ ছিল। বিখ্যাত সকল কাব্য এবং উপন্যাস এ সময়ে লেখেন। এ সময় তিনি লেখেন বিখ্যাত ” লা মিজারেবল”, ” লা চঁতিমেন-অঁ” হিউগোর শৈশব কষ্টে কাটলেও তিনি ছিলেন, অত্যন্ত সন্মানিত একজন জেনাবেলের সন্তান।
ভিক্টর হিউগো বল্লেন, কেন ফিড়ে এলাম;কোন মায়ায়? ফরাসী জনতার উদ্দ্যেশে তিনি বল্লেন। আমরা কোথায় আছি? এক শতাব্দী পেরোবার আগে আবার। ” যে প্যারীসে সমস্ত ইউরোপের হৃদয় ধ্বনিত হয়, যে মহানগরের জনপদে এথেন্সের, রোমের অস্থিত্ব বিদ্যমান। প্যারীস হচ্ছে শহরের জন্যে ‘নগর। আজ এ র্দুদশা আমি দেখছি। র্নিবাসন হ তে ফিবে এসে ১৮৭০ সালে ৯ই সেপ্টেম্বরে হিউগো তাঁর দেশপ্রেমের অনুভূতি দিয়ে প্রুশিয়ানদের জাগাতে চেস্টা করেন।
সাঢ় কিছু কি হয়েছিল? ভিক্টব হিউগো দেখে গেলেন না। ১৮৮৫ সালে তিনি বিদায় নিলেন ইহ জগৎ হ তে। ধনিরা ধনি হলেন, দরিদ্র আরো দারিদ্র সীমার নীচে যেতে লাগল। এই তো নিয়ম ছিল। হয় সব খানে। এমেলি জোঁলা দেখতে পেলেন এ হতভাগ্যদের। সম্রাট লুই, নেপোলীয়ন!! গরীবরা বঞ্চিত ছিল , এখন আরো বেশী হলো কেন? এ প্রশ্ন করেছেন, জোঁলা।
আমার বিষয় এটা নয়, আমি এস্ছি; প্যারীস ভ্রমনে।তবুও কষ্ট হয়।
নটর ডেমের নদীর ওপাড়ে সেক্সপীয়র এন্ড কোম্পানীর পেছনে লাইন ধরা আছে গিফট সপস॥ কিছু বেস্টুরেন্ট ভ্রমনে ভূরী ভোজ কড়তে নেই, এ শিক্ষা অন্তত আমার হয়েছে। অনেকবার আমার সময় চলে গেছে নিমন্ত্রন বক্ষা করতে গিয়ে। একটা গাইরো আর ডায়েট কোক॥ বেশ তো! সেন্ট মিসেলের দিকে হাঁতে থাকলাম। ভিক্টব হিউগোর এ্যার্প্টমেন্ট দেখতে হবে তো? আজ বিকেল হয়ে এলে॥। পরদিন যখন আমি হিউগোর বাড়ীতে শুনছিলাম গাইডের মুখে।
অন্তরটা যেন জুরিয়ে গেলো। যখনি জেনেছি, জগৎ খ্যাত জাতী ফরাসীরা ভিক্টর হিউগোর কফিণকে পেন্থিয়নের সামনে রাখলেন। সিনেট এবং মন্ত্রি সভা স’গিত করেন জাতীয়ভাবে শোক জানাবেন তাঁরা। শেব দেহকে নিয়ে গেলেন ” আর্ক দ্যি ট্রিয়ম্পের নীচে। ১৮৮৫ সালে ৩১শে মে লেখা হলো “ভি এইচ” বড় বড় করে ব্যানোঢ়ে। “মহৎ কৃতজ্ঞ জাতী মহান ব্যক্তিকে সম্মান জানাই।” ভিক্টর হিউগোকে যে সম্মান প্রুসিয়ানরা দিয়েছিলেন সম্ভবত সম্রাট নেপোলীয়নকে দেয় নি। বার জন তর”ন কবিদেরকে কফিনের সামনে রাখা হলো, র্গাড অব অনার হিসেবে। দু ‘ মিলিয়ন লোক তাঁকে শেষ বিদায় জানাতে আসেন।এই র্দূলভ সম্মান হিউগো পেয়েছেন। কারো হয়তো আপত্তি থাকবে না। ফরাসীরা প্রমান করেছেন তারাঁ সম্মান করেন, করতে জানেন।
আমারো ভাল লাগলো। আমার যতসব অভিযোগগুলো মূর্হূত্বে মিশে গেল। শ্রদ্ধা করেছি, ফরাসী জাতীকে।











