অবশেষে বহুল প্রত্যাশিত হরিশ্চন্দ্রকাটি ঘোষনগর বাঁধ নির্মান কাজ শুরু বন্যা নিয়ন্ত্রনের পাশাপাশি কপোতাক্ষ নদী খননের কাজ চলছে : জনমতে স্বস্তি
সেলিম হায়দার,তালা প্রতিনিধি : অবশেষে বহুল প্রত্যাশিত খলিলনগর তালা অঞ্চলের মরন ফাঁদ তালা উপজেলার হরিশ্চন্দ্রকাটি হতে ঘোষনগর কপোতাক্ষ তীর বর্তী বাঁধ নির্মান কাজ শুরু হয়েছে। এতে বন্যা নিয়ন্ত্রনের পাশাপাশি ঝুড়ি কোদাল দিয়ে নদী খননের কাজ ও বাস্তবায়িত হচ্ছে । ফলে আগামী বন্যায় আশংকিত এলাকাবাসীর মনে কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরে এসেছে। সরেজমিনে পরিদর্শনকালে জানা যায়, গত বছর পুরাতন বাঁধ হাজার হাজার ছিদ্র হয়ে ভেঙ্গে যেয়ে কপোতাক্ষোর পানি ঢুকে এবং অতিবর্ষনে খলিলনগর তালা এলাকায় বিস্তিন অঞ্চাল পানিতে নিমজ্জিত হয় ।হাজার হাজার ঘর বাড়ি ডুবে যায়। খুলনা পাইগাছা সড়কের তালা কপিলমুনি অংশ ৪/৫ ফুট পানিতে ডুবে যায় । সে সময় খলিলনগর ইউপি চেয়ারম্যান প্রভাষক প্রনব ঘোষ বাবলুর আবেদনে প্রেক্ষিতে খাদ্য মন্ত্রী ,স্বাস্থ্য মন্ত্রী ও স্থানীয় সংসদ ওয়ার্কার্স পার্টি নেতা রাশেদ খান মেনন এমপি সহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা উক্ত বাঁধ পরিদর্শন করলেও কেউ কোন ব্যবস্থা গ্রহন করেনি । অবশেষে খলিলনগর ইউপি চেয়ারম্যানের আবেদনের প্রেক্ষিতে কারিতাসের আঞ্চলিক পরিচালক মাইকেল বিশ্বাস উক্ত বাঁধ নির্মানের জন্য ২ টি প্রকল্প গ্রহন করেন । এ ২টি প্রকল্পের ১৫৭০ জন শ্রমিক প্রতিদিন কাজ করছে। ফলে বন্যা কবলিত এলাকায় কর্মচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে । হরিশ্চন্দ্রকাটি গ্রামের আমজাদ হোসেন মোড়ল জানায়, পুরাতন বাঁধে বাবলা গাছ লগানোর ফলে হাজার হাজার ছিদ্র হয়েছে। ফলে পুরাতন বাঁধ সংস্কার না করে নতুন করে উঁচু বাঁধ নির্মানের ফলে কপোতাক্ষের উপচে পড়া পানিতে এলাকা ডোবার সম্ভাবনা থাকবে না । খলিলনগর ইউপি চেয়ারম্যান প্রভাষক প্রনব ঘোষ বাবলু বলেন , মূল নদী রক্ষা করে কপোতাক্ষের বুক থেকে মাটি খনন করে বাঁধ নির্মান করা হচ্ছে।এতে বন্যা নিয়ন্ত্রনের পাশাপাশি নদী খননের কাজ ও চলছে । তিনি এই প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য কারিতাসের নিকট কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ।
তালা উপজেলার চেয়ারম্যন ঘোষ সনৎ কুমার জানায় , বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধ নির্মানের পাশাপাশি বৃষ্টির পানি সালতা নদী নিষ্কাষনের লক্ষে কয়েকটি খাল ও খনন করা হবে।











