দৌলতপুরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্যবিবাহ বন্ধ
কাঞ্চন কুমার, কুষ্টিয়া প্রতিনিধি : কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অরুন কুমার মন্ডলের হস্তক্ষেপে চতুর্থ শ্রেণীর স্কুলছাত্রী লাবনী আক্তারের (১০) বাল্যবিবাহ বন্ধ হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে তিনটার সময় উপজেলার পার্শ্ববর্তী জোয়ার্দ্দার পাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও দৌলতপুর উপজেলানির্বাহী কর্মকর্তা অরুন কুমার মন্ডল জানান, রিফায়েতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রী লাবনী আক্তারের বিয়ে ঠিক করে তার বাবা বাবর আলী বাবু। বর হিসেবে বৃহস্পতিবার আল্লারদর্গা সোনাইকুন্ডি গ্রামের আবুল কাশেম (৩০) ওই স্কুলছাত্রীর বাড়িতে আসে। এ খবর পেয়ে তাৎক্ষনিক ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বাল্য বিবাহ বন্ধ করার নির্দেশ দেয় উপজেলা প্রশাসন কর্তৃপক্ষ। বিয়ে বন্ধ করে বর ও কনের অভিভাবকদের নিকট থেকে ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে লাবনী আক্তারের বিয়ে দেয়া হবে না এই মর্মে মুচলেখা লিখে নেয়া হয়। বর ও বরের সঙ্গে আসা বরযাত্রীদের ঘটনাস্থল থেকে বিদায় করে দৌলতপুর ইউএনও ও দৌলতপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। রিফায়েতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুজাম্মেল হক জানান, লাবনীর বাবা মা তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর করে তাকে বিয়ে দিতে চেয়েছিলো। লাবনী আক্তার তার স্কুলের চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রী।











