ধর্ষনের ২ বছর পর গাইনী চিকিৎসকের মামলা! ব্যবসায়ী গ্রেফতার-মৌলভীবাজারে তোলপাড়
মৌলভীবাজারের পরিবার পরিকল্পনার বিভাগের গাইনী চিকিৎসক রাজিয়া সুলতানাকে ধর্ষনের অভিযোগে মৌলভীবাজার শহরের প্রতিষ্টিত ব্যবসায়ী জেপিএল ডোরস্থ এর সত্বাধিকারী সাইফুল ইসলাম সজীবকে ৭ আগষ্ট মঙ্গলবার দূপুর ১টার দিকে ঢাকার মালিবাগ এলাকা থেকে মৌলভীবাজারের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আলমগীর হোসেনের নেতৃত্বে গ্রেফতার করা হয়। ঘটনার বিবরনে জানা যায়, দুই বৎসর পূর্বের একটি ধর্ষনের অভিযোগ এনে গত ৭ আগষ্ট নারী ও শিশু নির্যাতন, চাঁদাবাজির অভিযোগে দুপুর দেড়টায় মৌলভীবাজার মডেল থানায় প্রথম মামলা হয়। এর পর আরো দুটি মামলা দায়ের করা হয় সজীব আসামী করে। মামলার দুটি বাদী চিকিৎসক রাজিয়া সুলতানা ও একটির মামলার বাদী হলেন চিকিৎসক সোহেল রানা। এনিয়ে মৌলভীবাজার শহরজুড়ে ব্যাপক তোলপাড় চলছে। চিকিৎসক রাজিয়া সুলতানার এজাহার সুত্রে জানা যায়, ২০১০ সালের ২০ আগষ্ট ধর্ষনের শিকার হন শ্রীমঙ্গল সড়কের ডায়মন্ড প্লাজার একটি প্রতিষ্টানে। বিগত ২ বৎসর যাবৎ সামাজিক ও লোক লজ্জার ভয়ে মামলা করেন নাই বলে এজহারে রাজিয়া উল্লেখ করেন। একটি সূত্রে জানা যায়, চিকিৎসক রাজিয়া সুলতানার সাথে শহরের ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম সজীবের গভীর সম্পর্ক ছিলো। সমপ্রতি দুই জনের মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়নের সৃষ্টি হয়। অপর একটি সুত্র জানায়, ডা. রাজিয়া সুলতানার সাথে ব্যবসায়ী সজীবের পরকীয়ার সম্পর্ক ছিলো। সে সুযোগে ব্যবসায়ী সজিব রাজিয়া সুলতানার সাথে গোপন মিলনের ভিডিও চিত্র ধারণ করে। ইদানিং রাজিয়া সুলতানার সাথে ডা. রানা নামে একজনের সাথে গভীর সখ্যতা গড়ে উঠলে সজিব মেনে নিতে পারেনি। এ বিষয়টি সজীব মেনে নিতে না পারায় বিভিন্নভাবে হুমকী দিলে বিষয়টি মামলা পর্যন্ত গড়ায়। অপরদিকে মৌলভীবাজার শহরের সিটি ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের পরিচালক ডাঃ সোহেল রানাকে প্রাণনাশের হুমকী অভিযোগে পৃথক ভাবে একটি মামলা মডেল থানায় দায়ের করা হয়। গ্রেফতারকৃত সজীবকে আদালতে প্রেরন করা হয়েছে। মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আবু জাফর মোঃ সালেহ জানান, এজাহারভূক্ত তিনটি মামলার আসামী সজীবকে আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।
বিশ্বজিৎ রায়, মৌলভীবাজার থেকে।











