গড়ে উঠা দু’টি পিকনিক স্পট বর্তমানে কর্তৃপক্ষের তদারকির ও নজরদারীর অভাবে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে
শেরপুর জেলার ঐতিহ্যবাহী গারো পাহাড়ের সবুজ-শ্যামল মনমুগ্ধকর দৃশ্যের কারনে উক্ত স্থানে গড়ে উঠে দু’টি আকর্ষনীয় পিকনিক স্পট। আর এই পিকনিক স্পটে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ভ্রমণ পিপাসুরা সারা বছর ধরে ভ্রমণে আসে। কিন্তু উক্ত দর্শনীয় স্থান গুলির উন্নতি না হওয়াতে এবং পাহাড়ের প্রাকৃতিক দৃশ্যের সবুজের সমাহার ধ্বংস হওয়াতে ভ্রমণ পিপাসুদের আগমন ঘটছে না। ফলে সরকার প্রতি বছর লাখ লাখ টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে। তাই উচিত পিকনিক স্পটির সৌন্দর্য বর্ধনে সরকারি উদ্ব্যোগে নানা মূখী পদক্ষেপ গ্রহন করা অত্যান্ত জরুরী দরকার। নচেৎ পিকনিক স্পট দু’টি ধ্বংসের মুখে চলে যাবে এবং সরকার লাখ লাখ টাকা রাজস্ব হারাবে। তাই সরকারের রাজস্ব আয় ও ভ্রমণকারীদের দর্শণীয় স্থানটি আরো সৌন্দর্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে পিকনিক স্পট দু’টির নানামূখী উন্নয়ন কার্যক্রম করে ভ্রমণ পিপাসুদের আমদ-প্রমোদের জন্য আক্রিষ্ট করে গড়ে তুলা দরকার বলে অত্র এলাকার সচেতন মহলের দাবী। উল্লেখ্য একটি পিকনিক স্পট নালিতাবাড়ী উপজেলার মধুটিলাতে গড়ে উঠে এবং অপরটি স্পট কেন্দ্রটি ঝিনাইগাতী উপজেলার গজনী অবকাশ গড়ে উঠে। এই দু’টি পিকনিক স্পটই গড়ে উঠে প্রাকৃতিক দৃশ্যকে কেন্দ্র করে। ঐতিহাসিক গারো পাহাড়ের প্রাণ কেন্দ্র গড়ে উঠেছে। দর্শনার্থীদের জন্য সৌন্দর্যের লীলাভূমিতে দু’টি পিকনিক স্পট। উক্ত পিকনিক স্পটটিকে আরো আকর্ষনীয় করা ও ভ্রমণকারীদের মন-প্রাণকে আকর্ষন করতে এমন কিছু উক্ত স্পট দু’টিতে গড়ে তোলা দরকার। সেই লক্ষ্যে ঐতিবাহী গারো পাহাড়ের বৃক্ষরাশির নিধন বন্ধ করার পাশাপাশি খালি জায়গা গুলিতে বনায়নে পদক্ষেপ গ্রহন করা জরুরী প্রয়োজন। প্রকাশ থাকে যে, উক্ত ঐতিহ্যবাহী গারো পাহাড়ে নানা জাতের বৃক্ষের সাথে বাস করত নানা জাতের পশু-পাখি। কিন্তু অবাধে বৃক্ষ নিধনের ফলে পাহাড়টি যে ভাবে ধ্বংস হচ্ছে তেমনি নানা জাতের পশু-পাখিও হারাতে বসেছে। তাই উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করলে হয়তো আবারও ফিরে পেতে পারে গারো পাহাড়ের সেই পুরনো ঐতিহ্য। আর তখনি আবার আসতে শুরু করবে নানা স্থান থেকে ভ্রমণ পিপাসুরা। এবং পিকনিক দু’টির যত্ম নেয়া দরকার। এবং ভ্রমণকারীদের আনন্দ দেওয়ার মত নতুন কিছু তৈরী করা দরকার। উল্লেখ্য ভ্রমণকারীরা আসার সময় তাদের সপরিবারে এসে যাতে তারা আনন্দ পায় তার জন্য স্পট দু’টিতে কিছু তৈরী করা এমন প্রত্যাশা অত্র এলাকাবাসীর।
মোঃ আব্বাস উদ্দিন,শেরপুর থেকে ।











