রংপুরের কাউনিয়ায় ক্বারিয়ানি মাদ্রাসার জমি দখলকে কেন্দ্র করে দু পক্ষের সংঘর্স আহত-২০
রংপুরের কাউনিয়া উপজেলায় ক্বারিয়ানি হাফিজিয়া মাদ্রাসার ঘর মেরামতের সময় প্রতিপক্ষের হামলায় কম পক্ষে ২০ জন আহত হয়েছে। এ নিয়ে গত দুদিন ধরে ওই এলকায় দুটি পক্ষে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। যে কোন সময় বড় ধরনের সংঘস হওয়ার আশাংকা দেখা দিয়েছে।এলাকাবাসি সূত্রে জানা গেছে, কাউনিয়া উপজেলার কুশা ইউনিয়নের সিংগার কুড়া আহমদিয়া ক্বারিয়ানা হাফিজিয়া মাদ্রসাটি ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠা করা হয়। জনৈক ইসমাইল হোসেন এক একর ৫০ শতক জমি ওয়াকফ করে দেন। সেই অনুযায়ী ১০ শতক জমি মসজিদে এবং মাদ্রাসা নিমার্ন বাদে যে জমি থাকবে সেই জমি কৃষি কাজ করে মাদ্রাসার ব্যভার বহন করা হবে বলে তিনি উইলে উলেখ করেন। এবং তার জীবনদসায় সময় ক্বারিয়ানি হাফিজিয়া মাদ্সারা দীর্ঘ দিন ধরে পরিচালনা করে আসেন।এদিকে ১৯৯৫ সালে পয়েলা আগস্ট দাতা ইসমাইল হোসেন মারা যায়। তার মৃত্যর পর দানকৃত জমি ভিন্ন খাতে ব্যবহারের জন্য মাদ্রাসা কমিটির সাধারণ সম্পাদক উঠে পড়ে লাগে।এলাকাবাসির অভিযোগ সে এক একর জমি অবৈধভাবে মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটিরক পাশ কাটিয়ে নিজেই মনগড়া কমিটি নিয়ে স্বার্থ হাসিলের জন্য পারিবারিক তানন্ত্রিক করে নিয়ে মহিলা মাদ্রাসা নাম করণ করে স্থাপন করে। এনিয়ে দুটি মাদ্রাসার মধ্যে বিরোধ দেখা দিলে ক্বারিয়ানি মাদ্রাসার পক্ষ থেকে আদালতে মামলা করা হলে আদালতের রায় ক্বারি মাদ্রাসার পক্ষে যায়। পরবর্তিতে মহিলা মাদ্রসা হাই কোর্টে আপিল করে। মামলাটি বর্তমানে বিচারাধিন রয়েছে। বেশ কিছুদিন আগে ক্বারি মাদ্রাসার নামে জেলা পরিষদ থেকে ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হলে মহিলা মাদ্রাসার পক্ষ থেকে আপত্তি দেয়া হয়। এনিয়ে ওই দুটি প্রতিষ্ঠানের মধে বিরোধ চরমে ওঠে। সমপ্রতি ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ক্বারি মাদ্রাসার উন্নয়নের জন্য ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। শুক্রবার বরাদ্দের টাকা দিয়ে মাদ্রাসার ঘর মেরামতের কাজ শুরু করা হয়। বিকেলের দিকে বালিকা মাদ্রাসার কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ও সোবাহান মাস্টার নামে এক ব্যক্তির নেতৃত্বে মতিন, মজিবুর রহমান, মজিবুল গনি, মতিয়ার মাস্টার, মহসিন, সহ ২০ /২৫ জনের একটি দল অর্তকিতে ক্বারি মাদ্রাসায় মেরামত কাজ চলাকালে সেখানে হামলা চালায়। তাদের হামলায় মনতাজসহ কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়। পরে এলাকাবাসি সংগবদ্ধ হয়ে হামলাকারিদের প্রতিহত করার চেষ্টা করে। এক পর্যায়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ ও স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। গতকাল রোববার বিকেলে পূণরায় সেখানে ক্বারিয়ানি হাফিজিয়া মাদ্রাসায় মেরামতের কাজ করতে গেলে সোবহান মাস্টারের নেতৃত্বে ২০/২৫জন সন্ত্রাসী দা রড লাঠিসোটা নিয়ে মামলা চালিয়ে ঘড় মেরামত কাজ বন্ধ করে দেয়। বর্তমানে এলাকায় থমথমে ভাব বিরাজ করছে। এব্যাপারে ক্বারি মাদ্রাসার সভাপতি জানান, বালিকা মাদ্রাসার নাম ভাঙ্গিয়ে একটি মহল ক্বারি মাদ্রাসার জমি দখলের চেষ্টা করছে। অপরদিকে বালিকা মাদ্রাসার সাধারণ সম্পাদক সোবাহান মাস্টার জানান, আমরা কোন হামলা করিনি। ওরাই দীর্ঘদিন থেকে বালিকা মাদ্রাসার বিরোধিতা করছে। সচেতন এলাকাবাসীর দাবি দীর্ঘদিনের প্রতিষ্ঠিত ক্বারীয়ানি হাফিজিয়া মাদ্রাসার ১ একর ৫০ শতক এর মধ্যে জোর পূবর্ক ১ একর জমি বালিকা মাদ্সারা নাম করে দখল করে লুটেপুটে খাচ্ছে ওই এক একর জমি উদ্ধার করে ক্বারিয়ানি মাদ্রাসা কাছে ফিরিয়ে দাওয়ার জন্য প্রশাসনে কাছে জোর দাবি জানান।
আব্দুর রহমান মিন্টু,রংপুর থেকে ।













