শেরপুর জেলার সদর হাসপাতাল ও উপজেলার স্বাস্থ্যকমপ্লেক্স গুলিতে দরিদ্র রোগীরা চিকিৎসা পাচ্ছে না
শেরপুর জেলাসদরে ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দরিদ্র রোগীরা চিকিৎসার জন্য সরকার ম্যাডিকেল অফিসার, ওয়ার্ডবয় ও নার্সের অবহেলার কারনে দরিদ্র রোগীরা সরকারী হাসপাতাল গুলি থেকে সু-চিকিৎসা পাচ্ছে না। বাধ্য হয়েই দরিদ্র রোগীরা অসহায় হয়ে প্রাইভেট ক্লিনিকে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিতে বাধ্য হচ্ছে। উল্লেখ্য প্রতি হাসপাতালে প্রয়োজনীয় চিকিৎসক থাকার কথা থাকলেও কিন্তু অজ্ঞাত কারনে নেই। যাও কয়েকজন ম্যাডিকেল অফিসার, ওয়ার্ডবয় ও নার্স রয়েছে তারা সঠিক ভাবে দায়ীত্ব পালন না করায় বা হাসপাতালে উপস্থিত না থাকায় রোগীরা চিকিৎসা নিতে এসে প্রাই ম্যাডিকেল অফিসারের সাক্ষাৎমিলে না। এ ব্যাপারে জিঞ্জাসা করা হলে কতৃপক্ষের নিকট থেকে উত্তর পাওয়া যায় ডাক্তার সাহেব বাইরে আছে কিম্বা অন্য কোন দায়ীত্বে নিয়োজিত আছে। এমন কথা বলে কতৃপক্ষের দায়ীত্বে নিয়োজীত ঝিনাইগাতী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা(ডাক্তার) টি,এইস,এ এমন কথা বলে এড়িয়ে যান। প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে রোগীরা চিকিৎসা নিতে এসে ম্যাডিকেল অফিসারের পরিবর্তে চিকিৎসা সহকারী দিয়ে কোন রকমে চিকিৎসা কার্যক্রম চলছে। সাধারন রোগাক্রান্ত ব্যক্তিকেও ময়মনসিংহে রেফার্ট করে দেন। এমতাবস্থায় বৃহত্তর দরিদ্র জনগোষ্ঠীর এলাকা শেরপুর জেলা ও উপজেলার চিকিৎসা কেন্দ্র গুলিতে সেবার মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ সু-দৃষ্টি দেন এমন প্রত্যাশা এলাকাবাসীর। সরকার যে সময় চিকিৎসার মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে ইউনিয়ন পর্যায়ে চিকিৎসা কেন্দ্র বা স্যাটালাইট ক্লিনিক চালু করেছে দরিদ্র অসহায় মানুষের সেবার জন্য। আর সেই সময় উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা থাকা সত্বেও জেলা ও উপজেলার হাসপাতাল গুলি থেকে দরিদ্র অসহায় ছিন্নমূল পরিবারের লোকেরা চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত অত্র জেলা ও উপজেলার রোগীরা। হাসপাতাল গুলিতে আধুনিক যন্ত্রপাতি থাকলেও ব্যবহার না করার ফলে লাখ লাখ টাকা মূল্যের যন্ত্রপাতি গুলো অকেজো হয়ে পরেছে। প্রত্যেকটি হাসপাতালে প্রয়োজনীয় সংখ্যক ম্যাডিকেল অফিসার নিয়োগ প্রদান করা হলে এবং সরকারি ভাবে তদারকি করা হলে তাহলে জেলা ও উপজেলার দরিদ্র থেকে সকল শ্রেণীর লোকজন এই সরকারি হাসপাতাল গুলি থেকে সু-চিকিৎসা প্রদান করা সম্ভব বলে বিজ্ঞ মহলের ধারনা।
মোঃ আব্বাস উদ্দিন, শেরপুর থেকে ।











