,

পুলিশের গুলিতে জাবির ৫ ছাত্র আহত : সড়ক অবরোধ

পুলিশের গুলিতে জাবির ৫ ছাত্র আহত সড়ক অবরোধজাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে গতরাতে পুলিশের গুলিতে ছাত্র আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় রাত ১টা থেকে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করেছেন শিক্ষাথীরা যা আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১২টা এ রিপোর্ট লেখা পযর্ন্ত চলছিল।  প্রত্যক্ষদশীদের সূত্রে জানাযায়, জাহাঙ্গীরনগরবিশ্ববিদ্যালয়ের ২নং গেইট সংলগ্ন মীর মোশারফ হোসেন হলের নাহিদ নামের এক শিক্ষার্থী আটকের ঘটনায় ছাত্র ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে সংঘর্ষের এক পর্যায়ে পুলিশের গুলিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫ ছাত্র আহত হয়েছেন। গুলিতে আহত হয়েছেন,ইনফরমেশন টেকনোলজি বিভাগের ৩৯তম ব্যাচের ছাত্র মারুফ, গণিত বিভাগের ৪১তম বিভাগের রবিন ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের ৩৯তম ব্যাচের ছাত্র নাহিদ ফার্মেসি বিভাগের ৩৯তম ব্যাচের ছাত্র রাকিব, পরিসংখ্যান বিভাগের ৪০তম ব্যাচের ছাত্র বশির, জানা গেছে, বুধবার রাত ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের  তাহমিদুল ইসলাম লিখনকে কে বা কাহারা ছুরি দিয়ে আঘাত করেন।এতে লিখন মারাত্বকভাবে আহত হন পরে তাকে দ্রূত সাভারের এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আহত লিখনের ঘটনায় রাত ১২টার দিকে পুলিশ সন্দেহভাজন ভাবে মীর মোশাররফ হোসেন হলের নৃ-বিজ্ঞান বিভাগের ৩৯তম ব্যাচের ছাত্র নাহিদকে আটক করতে গেলে সেই  হলের ছাত্রদের সঙ্গে পুলিশের কথা কাটাকাটি হয় এক পযায়ে তা সংঘষে রুপনেয়।পুলিশ দুই রাউন্ড ফাকা গুলিকরে তাতে ছাত্ররা আরো ক্ষিপ্ত হয়েউঠে ।যার ফলে পুলিশ নাহিদকে ছেড়ে দিয়ে পিছনে হটতে শুরুকরে।কিন্তু পুলিশ নাহিদকে গ্রেফতার করে নিয়ে গেছে এরকম একটি গুজব খবর ক্যাম্পাসে ছড়িয়ে পড়ে তাতে হলের সব ছাত্র বেরিয়ে বিক্ষোভ করতে থাকে। পুলিশ বিক্ষোভ ঠেকাতে গুলিছুড়লে ৫ জন ছাত্র আহত হন তাদের সাভারের এনাম মেডিকের কলেজ হাসপাতালে ভতী করা হয়।বিক্ষুব্ধ ছাত্ররা মীর মোশাররফ হোসেন হলের প্রাধ্যক্ষ ইমদাদুল হকের বাসভবন এবং একই হলের আবাসিক শিক্ষকদের বাসা ভাঙচুর করেন।ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ, প্রক্টোর কার্যালয়সহ ছাত্র শিক্ষক কেন্দ্রের কয়েকটি কক্ষ ভাঙচুর করেন। ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে এসময় তারা একটি পিকআপভ্যান একটি প্রাইভেটকার ভাংচুর করেন।সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দেন ।আটকা পড়ে যায় সকল যানবাহন দুই দিকের গাড়ী গুলি থমকে দাড়িয়ে থাকে ।দক্ষিন বঙ্গের ঢাকাগামী গাড়ীগুলি নবীনগর বাইপাইলব্রিজ দিয়ে নরসিংহপুর হয়ে চলতে থাকে এসময় হাজার হাজার গাড়ী দুইপাশে জমা হতে থাকে।খবর পেয়ে রাত সাড়ে ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ঘটনাস্থলে এলে ছাত্রদের তোপের মুখে তিনি চলে যেতে বাধ্য হন।এ সময় প্রক্টোরসহ প্রক্টোরিয়াল বডির সদস্যরাও চলে যান।ছাত্রদের সঙ্গে কথা বলতে এসে বিক্ষুব্ধ ছাত্রদের তোপের মুখে তারা ফিরে যান। ফলে ছাত্রদের সঙ্গে জাবি প্রশাসনের কোনো প্রকার সমঝোতা হয়নি।এ বিষয়ে উপ-উপাচার্য ফরহাদ হোসেন বলেন, “গুলি করার ঘটনাটি একটি ন্যক্কারজনক ঘটনা ।”কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক নাসিরউদ্দিন বলেন, “পুলিশ এসে গুলি করে চলে যাবে , এটা ভালো লক্ষণ নয়।”মানুষজন। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে মধ্যরাতে ছাত্রদের ওপর পুলিশের গুলি ছোঁড়ার অনুমতি ছিল না বলে দাবি করেছে জাবি প্রশাসন।  বার বার চেষ্টা করেও উপাচার্য  অধ্যাপক মোঃ আনেযার হোসেন এর সাথে ফোনে যোগাযোগ করা যায়নি।পরিশেষে,বলা যায়, এখন পর্যন্ত ছাত্রদের সাথে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কোন সমঝোতা হয়নি। ক্যাম্পাসে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। চারদিকে টানটান উওেজনা তবে প্রচুর পরিমান আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।
মোঃআলী আযম সরকার,জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে।


(আপনার মোবাইল নম্বরটি অপ্রকাশিত থাকবে)


(আপনার ইমেইল এ্যাড্রেসটি গোপন রাখা হবে)


(বাংলায় মন্তব্য লিখতে ইউনিকোড বাংলা সফ্‌টওয়্যার ব্যবহার করুন)

পাতার শুরুতে