,

জাতীয় বিশ্বদ্যিালয়ের ভিসি কাজী শহীদুল্যাহসহ ১৩ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে জয়দেবপুর থানায় মামলা

দুর্নীতি ও জালিয়াতির অভিযোগে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর কাজী শহীদুল্লাহ, প্রো ভাইস-চ্যান্সেলর তোফায়েল আহমদ চৌধুরীর, ট্রেজারার কাজী ফারুক আহমেদ ও ভারপ্রাপ্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বদরুজ্জামানসহ প্রভাবশালী তের কর্মকর্তার বিরুদ্ধে জয়দেবপুর থানায় মামলা হয়েছে।  ভূমি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও গাজীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য আ.ক.ম. মোজাম্মেল হক বাদি হয়ে জয়দেবপুর থানায় মামলা [ নং ১০৮ (৬)২০১২] দায়ের করেছেন। মামলায় অন্যান্য আসামীরা হলেন, সাবেক রেজিস্ট্রার ফিরোজ আহমদ আখতার, বর্তমান ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ও ভারপ্রাপ্ত পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) মোল্যা মাহফুজ আল হোসেন, বর্তমানে প্রক্টর ও উপ-রেজিস্ট্রার এইচ এম তায়েহীদ জামাল (শিপু), আইন বিষায়ক ইউনিটের সহকারী রেজিস্ট্রার মোঃ সিদ্দিকুর রহমান (স্বপন), বর্তমানে উপ-রেজিস্ট্রার (প্রশাসন) ফাহিমা সূলতানা, সহকারী-রেজিস্ট্রার (প্রশাসন) দিলরুবা বেগম, বেতন ও কল্যাণ শাখার সহকারী পরিচালক মোঃ শাহাবুদ্দীন (বাদল) ও শেখ মুহাম্মদ মুফাজ্জল হুসাইন এবং সেকশন অফিসার মোঃ আবুল হোসেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, সাবেক ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক আফতাব আহমাদের সময়ে অবৈধভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত ১২২২ জন শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ অমান্য করে এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে বিভিন্ন জাল ডকুমেন্টস্ ও জাল নথি সৃজন করে অবৈধভাবে তাদেরকে সিলেকশন গ্রেডস্কেল দিয়ে বেতন বর্ধিত করেছে। এতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিল হতে ১কোটিরও ওপরে  আর্থিক অপচয় হয়েছে।

মামলার বাদি আরো জানান, ইতোপূর্বে অধ্যাপক আফতাব আহমাদের সময়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই অবৈধ গণনিয়োগ ও দুর্নীতির সুনির্দিষ্ট অভিযোগের বিষয়টি  আ.ক.ম. মোজাম্মেল হক কার্যপ্রণালী ৭১ বিধি অনুসারে জরুরী জনগুরুত্ব সম্পন্ন বিষয় সম্পর্কে স্পীকারের নিকট লিখিত অভিযোগ করার পর স্পীকার শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে বিষয়টি অবহিত করেছিলেন এবং উক্ত অবৈধ গণনিয়োগ ও দুর্নীতির সত্যতা পাওয়ায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় স্মারক নং- শা:১৮/জাতীয় বিঃ-১/২০১০/৯৭; তারিখ: ১৫-০৩-২০১০ সংখ্যক পত্রের মাধ্যমে ওই সময়ে নিয়োগ/পদোন্নতিপ্রাপ্তদের পদোন্নতি, স্থায়ীকরণ, শিক্ষাছুটির জন্য মনোনয়ন ও দক্ষতাসীমা অতিক্রম সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার জন্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু  জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঐ নির্দেশ লঙ্ঘন এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিভিন্ন জাল ডকুমেন্টস্ ও জাল নথি সৃজন করে সম্পূর্ণ অবৈধ গণনিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরকে অসৎ উদ্দেশ্যে সিলেকশন গ্রেডস্কেল দিয়ে বেতন বর্ধিত করেছিল।  এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের মোটা অংকের টাকা অপচয় হয়। তাই তিনি তাদের বিরুদ্ধে ২১৮/৪০৯/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/৪৭৭/৪২০ ধারা ১০৯দ:বিধি তৎসহ ১৯৪৭সনের দূর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় ওই মামলা করেছেন।
জয়দেবপুর থানার ওসি এসএম কামরুজ্জামান ওই মামলা দায়েরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
 

আবুল হোসেন,গাজীপুর থেকে


(আপনার মোবাইল নম্বরটি অপ্রকাশিত থাকবে)


(আপনার ইমেইল এ্যাড্রেসটি গোপন রাখা হবে)


(বাংলায় মন্তব্য লিখতে ইউনিকোড বাংলা সফ্‌টওয়্যার ব্যবহার করুন)

পাতার শুরুতে