,

ভোলায় আমির হোসেন দুলালের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও নিশর্ত মুক্তির দাবীতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি পেশ

ভোলায় আমির হোসেন দুলালের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও নিশর্ত মুক্তির দাবীতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি পেশভোলায় এডরুক ফার্মাসিটিকাল কোম্পানীর এরিয়া ম্যানেজার আমির হোসেন দুলালের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও নিশর্ত মুক্তির দাবীতে মানববন্ধন করেছে ফার্মাসিউটিক্যাল রিপ্রেজেনটেটিভ এসোশিয়েন (ফারিয়া) নেতৃবৃন্দ । শনিবার সকাল সাড়ে ১০ টায় শহরের সদর রোড়ের কে জাহান মার্কেট চত্বরে ২ ঘন্টা ব্যাপি এ মানববন্ধন করা হয়।এতে বক্তব্য রাখেন, ফারিয়া সভাপতি মাহাবুবুর রশিদ সোহেল, সম্পাদক বেলাল হোসেন, সহ সভাপতি মোকলেসুর রহমান, সদস্য আমিনুল ইসলাম ও মো: তারেক প্রমুখ। বক্তরা ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও তার মুক্তির দাবী জানান।মানববন্ধন শেষে ফারিয়া নেতৃবৃন্দ ভোলার পুলিশ সুপারের নিকট স্মারকলিপি পেশ করেন।
উল্লেখ্য, আমির হোসেন দুলাল কোম্পনীর পাওনা টাকা চাইতে গিয়া বিপাকে পড়েন। পাতানো ষঢ়যন্ত্রের জালে পা দিয়ে গতকাল রাত্র ৮.৩০ ঘটিকায় শহরের জিয়া সুপার মার্কেট থেকে ইয়াবা সহ গ্রেফতার হন,বিশ্বস্ত সূত্র থেকে জানা যায় গুইঙ্গারহাট বাজার সংলগ্ন মোঃমিজানুর রহমান এর কাছ থেকে এডরুক ফার্মা লিঃ প্রায় চার লক্ষ টাকা পাবে। কিছুদিন আগে কোম্পনীর নির্দেশে দুলাল টাকা চাইতে গেলে মিজানের সাথে কথা কাটাকাটি হয়। সেই দিন মিজান জনসম্মুখে হুমকি দিয়ে বলেন তোকে তো টাকা দিবই না বরংছ  ভোলায় থাকতে হলে আমাকে প্রতি মাসে মোটা অংকের চাঁদা দিবি নয়তো ভোলা ছারবি। উক্ত ঘটনায় গত ১০/০৬/২০১২ইং তারিখে দুলাল ভোলা সদর থানায় একটি জিডি করেন যার নম্বর ৪৯০। প্রত্যক্ষ দর্শী আব্বাছউদ্দিন দাবী করেন ঘটনার দিন বিকালে কোম্পানীর কজে আমি ও স্যার সহ কোম্পানীর কাজে বাংলাবাজার এর উদ্দেশ্যে রওনা করি ইতিমধ্যে গুইঙ্গারহাট বাজারে উক্ত মিজান ও তার সহযোগীরা আমাদের সামনে দাড়ান এবং বলেন যে আপনাদের সঙ্গে জরুরী কথা আছে তখন আমাদেরকে একটি মিষ্টির দোকানে নিয়ে যায় এবং কমপক্ষে ৩০মিঃ অতিবাহিত করেন হঠাৎ মিজান আমাদেরকে বসিয়ে জরুরী কাজের কথা বলে বাহিরে বের হয়ে যান, ১০মি.পর ফিরে এসে বলেন স্যার আপনি মিষ্টি খেয়ে চলে যান আগামীকাল সকালে ভোলা শহরে এসে কোম্পানীর পাওনা সমস্ত টাকা লেনদেন করবো। দুলাল স্যার ও আমি হতাশ মনে বাংলা বাজার না গিয়ে সোজা ভোলা জিয়া সুপার মার্কেটে চলে আসি। মটরসাইকেলটি পাশে রেখে আমরা দাড়িয়ে কথা বলছি এমন সময় ডিবি পুলিশ এসে দুলালস্যারকে বলেন আপনার মটরসাইকেল এ রাখা ব্রিফকেসটিতে ইয়াবা আছে, স্যার উত্তেজিত হয়ে ডিবি পুলিশ এর সাথে চেলেঞ্জ করে র্চাজ করতে বলেন। ডিবি পুলিশ র্চাজ করে স্যারের ব্রিফকেস এ ইয়াবা পায় তারপর দুলাল স্যারকে ডিবি পুলিশ থানায় নিয়া যান।
এই খবর শহরে ছড়িয়ে পড়লে ঔষধ কোম্পানীর  কর্মকর্তাদের মাঝে চরম উত্তেজনা বিরাজ করে। সবার মুখে একই কথা, পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে দুলাল ষঢ়যন্ত্রের শিকার। তাৎক্ষনিক ভোলা র্ফামাসিটিক্যালস রিপ্রেজেনটেটিভ এসোসিয়েশন (ফারিয়া) এর পক্ষ থেকে রাত্র ১০.৩০ মিঃ এর সময় তাদের কার্যালয়ে এক জরুরী সভার আয়োজন করেন। উক্ত সভায় ভোলা জেলার সভাপতি মোঃমাহাবুবুর রশিদ সোহেল বলেন, অবিলম্বে আমির হোসেন দুলাল কে মুক্তি দিয়ে প্রকৃত ষঢ়যন্ত্রকারী মিজানকে পুলিশ হেফাজতে এনে এর আসল ঘটনা উন্মোচন করা হোক, তা না হলে ভোলা জেলায় প্রতিটি কোম্পানীর জীবন রক্ষাকারী ঔষধ সরবরাহ বন্ধ করে দেয়া হবে। এব্যাপারে সবাই সম্মতি জ্ঞাপন করেন ।
এই দিকে সংগঠনটি  বৃহঃবার সকাল ৯.০০টার সময় দুলাল এর মুক্তির দাবিতে ভোলা জেলা প্রশাসকের কাছে একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন। সেখানে সিনিয়র সহসভাপতি মোখলেছুর রহমান বলেন এই ষঢ়যন্ত্রের হাত থেকে দুলাল কে মুক্তি দিয়ে আমাদের মাঝে ফিরিয়ে দিন নইলে আমরা এরজন্য কঠোর কর্মসূচী দিতে বাধ্য হব। এদিকে গতকাল কোটে আমির হোসেন দুলালকে হাজির করা হলে বিজ্ঞআদালত জামিন আবেদন না মঞ্জুর করে জেলহাজতে প্রেরন করেন।
এ সময় ফারিয়া নেতৃবৃন্দ এটি ষড়যন্ত্র বলে দাবী করে আসছে। তারা উক্ত ঘটনার সঠিক তদন্তের দাবী জানান।

এন এম জিকু ,ভোলা থেকে


(আপনার মোবাইল নম্বরটি অপ্রকাশিত থাকবে)


(আপনার ইমেইল এ্যাড্রেসটি গোপন রাখা হবে)


(বাংলায় মন্তব্য লিখতে ইউনিকোড বাংলা সফ্‌টওয়্যার ব্যবহার করুন)

পাতার শুরুতে