,

শেরপুর জেলা উপজেলার চলতি অর্থ বছরের সিংহ ভাগ কাজ সুষ্ঠ ভাবে হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে

মোঃ আব্বাস উদ্দিন শেরপুর প্রতিনিধি : শেরপুর জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের বরাদ্দকৃত অর্থ গ্রামীণ উন্নয়নে প্রকল্প বাস্তবায়নের শেষ সময় জুন মাস। কিন্তু বছরের প্রায় শেষ সময়ে বরাদ্দকৃত অর্থ গম ও চালের মাধ্যমে গ্রামীণ উন্ন্য়নে যে প্রকল্প গুলি বাস্তবায়নের জন্য প্রদান করা হয়েছিল তাহ মাত্র কয়েক দিনে সমাপ্ত হবে কি? কারন হিসেবে উল্লেখ করা যায় চলতি অর্থ বছরের বরাদ্দকৃত টি,আর, কাবিখা, কাবিটা, এডিপি রাজস্ব, এলজি,এস,পি ও পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ অন্যান্য সংস্থার প্রদানকৃত বরাদ্দের অর্থের কতটা কাজ সুষ্ঠ ভাবে সম্পন্ন হয়েছে। তাই একটু সুষ্ঠ ভাবে সরেজমিনে তদন্ত করলেই বুঝাযাবে প্রকৃতপক্ষে গ্রামীণ উন্নয়নে বরাদ্দের কাজ কতটুকু বাস্তবায়িত হয়েছে। উল্লেখ্য উদাহারণ হিসেবে ঝিনাইগাতী উপজেলার বরাদ্দকৃত ১০২.০৯ মেঃটন টি,আরের মাধ্যমে ৩৭টি প্রকল্প বাস্তবায়ন দেখানো হয়। উক্ত ৩৭টি প্রকল্প অতি সম্প্রতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পরিদর্শনে যান। উক্ত ৩৭টি প্রকল্প পরিদর্শন কালে বেড়িয়ে আসে নানা অজানা রহস্যজনক তথ্য। তথ্যে বেড়িয়ে আসে বরাদ্দকৃত প্রকল্পের কাজ সঠিক ভাবে না করেই কাজ সমাপ্ত দেখানো হয়েছে। এবং কি কোন বরাদ্দকৃত গম যে প্রতিষ্ঠানের নামে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে তাহ না কি প্রতিষ্ঠানের খুদ কর্মকর্তারাই বরাদ্দের খবর জানেন না বলে নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ করেন। প্রকাশ থাকে যে, দির্ঘ সময় থাকা সত্বেও প্রকল্পের কাজ সেখানে সুষ্ঠ ভাবে বাস্তবায়ন হয়নি। তাহলে প্রতিয়মান হয় যে, জেলার বিভিন্ন উপজেলা গুলিতে কতটা সুষ্ঠ ভাবে সরকারের বরাদ্দকৃত অর্থ গ্রামীণ অবকাঠামোর উন্নয়নের জন্য ব্যয়ীত হয়েছে। চলতি বছরের শুরু থেকে বিভিন্ন বিভাগের অর্থ গুলি প্রকল্পের মাধ্যমে উন্নয়ন কর্মকান্ড করার কথা। কিন্তু ওই সমস্ত অর্থের কাজ এখন পর্যন্ত সঠিক ভাবে হয়েছে কি না তদন্ত করলে বেড়িয়ে আসত আসল রহস্য। এখন চলতি বছরের প্রায় শেষ সময় আর মাত্র কয়েক দিন বাকি আছে চলতি অর্থ বছরের। তা হলে অতি অল্প সময়ে যে টি,আর সাধারন ও বিশেষ বরাদ্দের কাজ গ্রামীণ উন্নয়নে সুষ্ঠ ভাবে প্রকল্প গুলি বাস্তবায়ন হবে। উল্লেখ্য চলতি অর্থ বছরের বরাদ্দকৃত বিভিন্ন বিভাগের প্রকল্প গুলি যদি সুষ্ঠ ভাবে সমাপ্ত হতো তাহলে বিগত বছরে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তাঘাট, পুল-কালভার্ট ও ছোট বড় সেতু গুলির উন্নয়ন হতো। কিন্তু উন্নয়নের তেমন একটা দিক লক্ষ্য করা যায় না। যেহেতু দির্ঘ সময়ে যে প্রকল্প গুলি সুষ্ঠ ভাবে বাস্তবায়ন না হয়ে নানা কৌশল অবলম্বন করে কাগজে কলমে পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন দেখানো হয়েছে। সেই থেকে অনুমান বা সন্দেহ হয় এত অল্প সময়ে বা মাত্র কয়েক দিনে বৃহত বরাদ্দের টি,আর প্রকল্প গুলি আদৌ সুষ্ঠ ভাবে তা বাস্তবায়ন হবে? না কি প্রকল্প চেয়ারম্যানদের ব্যক্তি সার্থ এবং সরকারের বরাদ্দকৃত গম/চাল আতœসাৎ হবে এমন ধারনা বিজ্ঞ মহলের। যদি সরকারের বরাকৃত অর্থের সুষ্ঠ ভাবে প্রকল্প গুলি বাস্তবায়ন হতো তাহলে গ্রামীণ অবকাঠামোর অনেকটাই উন্নয়ন হতো। জানা গেছে, ঝিনাইগাতী উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা না থাকাতে প্রকল্প গুলি সুষ্ঠ ভাবে বাস্তবায় হবে না এমন ধারনা এলাকাবাসীর। উক্ত পদে জেলার অতিরিক্ত প্রকল্প কর্মকর্তা দায়ীত্বে রয়েছে। জেলা প্রকল্প কর্মকর্তার পক্ষে জেলা উপজেলার দু’টি দায়ীত্ব পালনে জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে। অপর দিকে শেরপুর জেলা সদরের মামলার কারনে সমস্ত উন্নয়ন কর্মকান্ড স্থবির হয়ে পড়েছে। মামলার নিষ্পত্তি না হওয়াতে বরাদ্দকৃত সকল অর্থ গ্রামীণ অবকাঠামোর কাজ না করার আইনগত জটিলতার কারনে সকল প্রকল্পের অর্থ সরকারের ঘরেই ফেরৎ চলে যাবে। এতে জেলার গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে ব্যাপক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই পশ্চাৎপদ শেরপুর জেলা ও উপজেলা সার্বিক উন্নয়নে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপের মাধ্যমে আশু সমস্যা সমাধানের পদক্ষেপ নিবেন এমন প্রত্যাশা এলাকাবাসীর।


(আপনার মোবাইল নম্বরটি অপ্রকাশিত থাকবে)


(আপনার ইমেইল এ্যাড্রেসটি গোপন রাখা হবে)


(বাংলায় মন্তব্য লিখতে ইউনিকোড বাংলা সফ্‌টওয়্যার ব্যবহার করুন)

পাতার শুরুতে