মির্জা ফখরুল-হান্নান শাহ-কর্ণেল অলিসহ ১৮দলের ৩ নেতা-কর্মী এখন কাশিমপুর কারাগারে
আবুল হোসেন, গাজীপুর প্রতিনিধি : রাজধানীর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য আ.স.ম হান্নান শাহ, এলডিপি’র চেয়ারম্যান কর্ণেল (অব.) অলি আহমদ, বিএনপি’র ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক সাংসদ শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালকদার দুলু, বিজেপি সভাপতি আন্দালিব রহমান পার্থসহ ১৮দলের ৩০জন শীর্ষ নেতা শুক্রবার বিকেলে গাজীপুরের কাশিমপুরস্থ কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থানান্তর করা হয়েছে।কাশিমপুরস্থ ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের ইউনিট-২ এর কারারক্ষক সুভাষ চন্দ্র সাহা জানান, এ ইউনিটে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, এলডিপি’র চেয়ারম্যান কর্ণেল (অব.) অলি আহমদ, বিএনপি’র ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক সাংসদ শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালকদার দুলু, বিজেপি সভাপতি আন্দালিব রহমানসহ ৫ জনকে শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে স্থানান্তর করা হয়েছে। তাদেরকে এ কারাগারের ডিভিশন প্রাপ্ত বন্দিদের জন্য নির্মিত সুরমা ভবনে রাখা হয়েছে। ইতোপূর্বেও এ ইউনিটে গ্রেপ্তারকৃত জামায়া’ত নেতা মতিউর রহমান নিজামী, কাদের মোল্যা ও কামারুজ্জামান এবং ব্যবসায়ি তারেক জিয়ার বন্ধুখ্যাত গিয়াস উদ্দিন আল মামুন বিশেষ বন্দি হিসেবে রয়েছেন। তিনি আরো জানান, ২০০৪সালের ১২জানুয়ারি চার দলীয় জোট সরকারের তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরীর উদ্বোধন করা ২০০০ধারণ ক্ষমতার এ ইউনিটে বর্তমান বন্দির সংখ্যা ৩হাজারেরও বেশি। তাদের মাঝে অর্ধ ডজনেরও বেশি হলো ডিভিশন প্রাপ্ত এবং ১১১জন রয়েছেন ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত।
অপরদিকে ঢাকা থেকে কাশিমপুরস্থ ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের ইউনিট -১ এ বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য আ.স.ম হান্নান শাহ, ও খন্দকার মোশারফ হোসেনকে একই দিন বিকেল ৫টা ৪০মিনিটের দিকে স্থানান্তর করা হয়েছে। তাদেরকে ডিভিশনপ্রাপ্ত বন্দিদের ভবন ‘চিত্রায় রাখা হয়েছে। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের ইউনিট-১এর তত্বাবধায়ক জাহাঙ্গীর কবির এ ইউনিটে ওই দু শীর্ষনেতার স্থানান্তরের সত্যতা স্বীকার করে জানান, এ ইউনিটের ধারণ ক্ষমতা ৩০০জন। কিন্তু বর্তমানে এতে বন্দি রয়েছেন দেড় হাজারের মতো। ২০০১সালের ২৬ সেপ্টেম্বর তৎকালীন বিচারপতি লতিফুর রহমান উদ্বোধনকৃত এ কারাগারের ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্তদের ধারণ ক্ষমতা হলো ৩০জন। বর্তমানে এ ইউনিটে ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত আসামির সংখ্যা ৮৩জন। ৪০ বন্দির ধারণক্ষমতা বিশিষ্ট ডিভিশনপ্রাপ্ত বন্দিদের ভবন ‘চিত্রা’য় ইতোপূর্বে বন্দি রয়েছেন- সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর।













