উপজেলার সিংহভাগ কাচাপাকা রাস্তার বেহাল অবস্থা : যে কারনে সরক দূর্ঘটনা বেড়েই চলছে-শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা অত্যান্ত নাজুক পরিস্থিতি
আব্বাস উদ্দিন,ঝিনাইগাতী,(শেরপুর) প্রতিনিধি : শেরপরু জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলার রাস্তাঘাট ব্যাহাল অবস্থার কারনে যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রায় ভেঙ্গে পরেছে। উপজেলা থেকে জেলা সদরে ও গ্রাম থেকে উপজেলা সদরে যোগাযোগের রাস্তা গুলি গত ২ বছরের বন্যায় বিছিন্ন হওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা অচল অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি এ সমস্ত খানাখন্দের ভাঙ্গা রাস্তায় পরিবহন চলাচলের অযোগ্য হওয়াতে গ্রামের কৃষকেরা তাদের কৃষি পন্য বাজারে আনতে নানা বিরম্বনার মুখে পরতে হচ্ছে। একি সাথে দরিদ্র কৃসকের কৃষি পন্য বাজার জাত করতে ২/৩ গুন রাস্তা ঘুরে বাজারে আনতে হচ্ছে। এজন্য কৃষকের পন্যের ভাড়া ২/৩ গুন বেশী দিতে হচ্ছে। এতে দরিদ্র কৃষকেরা দারুন ভাবে খতিগ্রস্তের শিকার হচ্ছে। উল্লেখ্য উপজেলা সদরের সাথে জেলা সদরে যাতায়াতের একমাত্র স ও জএর রাস্তাটিও খানাখন্দে বেহাল অবস্থা। যে কারনে প্রায়ই ঘটছে মারাত্নক সরক দূর্ঘটনা। এখন এ দূর্ঘটনা এড়ানোর দায়-দায়ীত্ব যেন কারও নেই। এমনর পরিস্থিতি দেখে মনে হয় এ সমস্ত দেখার আছে কি কেউ ? প্রকাশ থাকে যে, উক্ত ঝিনাইগাতী উপজেলার প্রায় ১২৫ কিঃ মিঃ পাকা রাস্তা ও ১৭৫ কিঃ মিঃ কাচা রাস্তা রয়েছে। উক্ত রাস্তা গুলি খানাখন্দের কারনে যোগাযোগ ব্যবস্থা নাজুক পরিস্থিতি এবং কোন কোন ক্ষেত্রে রাস্তা ভাঙ্গা ও পুল, কালভার্ট, ছোট বড় সেতু নষ্ট হওয়ার কারনে যোগাযোগ বিছিন্ন। উল্লেখ্য কোন এলাকার উন্নয়নের জন্য শিক্ষা ও যোগাযোগ অপরিহার্য। কিন্তু এ উপজেলায় শিক্ষা ও যোগাযোগ ব্যবস্থা বহু পিছিয়ে। যে কারনে এ উপজেলার উন্নয়ন তেমন একটা দেখা যাচ্ছে না। কারন উন্নয়নের সূত্রেই যে দু’টি উপসর্গরে প্রয়োজন সে দুটি এখানে নেই। স্বাধীনতার ৪১ বছর পেরিয়ে গেলেও এ পশ্চাদ পদ উপজলার দরিদ্র জন গোষ্ঠীর ভাগ্য উন্নয়নে সরকারি উদ্যোগে যোগাযোগ ব্যবস্থা বা সরকারি বড় কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠেনি। যে কারনেই শেরপুর জেলার মধ্যে শিক্ষার হার এখানে সর্বনিম্ন পর্যায়ে রয়েছে। তাই এই প্রস্তাব পদ উপজেলাবাসীর দাবি যোগাযোগ ব্যবস্থা ও স্কুল কলেজ গুলোর সরকারি করার লক্ষ্যে উদ্যাগ নেয়া জরুরী দরকার বলে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট দাবি জানিয়েছে।











