,

সাফল্যের ধারায় সাতকানিয়ার পূর্ব গাটিয়াডেঙ্গা হাবিবুল উলুম মাদরাসা

শিক্ষকমন্ডলীর সাথে ২০১২ সালের দাখিল উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরামোহাম্মদ বেলাল হোছাইন, দক্ষিণ চট্টগ্রাম প্রতিনিধি : সাতকানিয়ার পূর্ব গাটিয়াডেঙ্গা হাবিবুল উলুম দাখিল মাদরাসার শিক্ষার্থীরা বরাবরের মত এবারও সদ্য ঘোষিত দাখিল পরীক্ষার ফলাফলে সাফল্যের স্বাক্ষর রেখেছে। মোট ৪৭জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪৫জন কৃতকার্য হয়েছে। তন্মধ্যে জিপিএ ফাইভ অর্জণ করেছে ৪ ছাত্রী। তারা হলো নাছরিন ফারজানা রুমি, জন্নাতুন নাঈম, নুরি জান্নাত রিনুক ও জন্নাতুল ফেরদাউস নাজমা। এছাড়াও আরো ২৬ জন পরীক্ষার্থী এ গ্রেড, ৭জন এ মাইনাস, ৫জন বি ও ৩ জন সি গ্রেডে উত্তীর্ণ হয়েছে। পাশের হার ৯৫.৭৪%। সাতকানিয়ার কৃতি সন্তান, শিল্পপতি, শিক্ষানুরাগী ও দানবীর, আইএমএস গ্রুপের চেয়ারম্যান, সাতকানিয়া সমিতি চট্টগ্রামের সভাপতি আলহাজ্ব আবুল বশর আবু ১৯৮০ সালে এ মাদরাসাটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এটি ২০১০ সালে এমপিওভূক্ত হয়। ডলু তীরবর্তী নিভৃত গ্রামে অবসি’ত এই মাদরাসায় প্রতিষ্ঠাতার বদান্যতায় গড়ে উঠেছে দৃষ্টি নন্দন বিশাল ভবন। বর্তমানে এ প্রতিষ্ঠানে ৭৫৭ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। এ প্রতিষ্ঠানে সুপারিন্টেন্ড্যান্ট হিসেবে নিয়োজিত আছেন দক্ষিণ চট্টগ্রামের জনপ্রিয় ওয়ায়েজ ও বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন হযরত মাওলানা নুরুল আলম ফারুখী। অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দের মধ্যে রয়েছেন মাওলানা আ স ম আব্দুল মান্নান, মাওলানা সগীর আহমদ, মাওলানা মোহাম্মদ আলী ফারুখী, মাওলানা ইসমাইল হোছাইন, মাস্টার আব্দুল হাকিম, মাস্টার মোহাম্মদ সোলাইমান, মাস্টার মোহাম্মদ ইলিয়াছ, মাওলানা মোহাম্মদ ইলিয়াছ, মাওলানা নুরুল কবির, মাস্টার শাহেদুজ্জামান চৌধুরী, মাস্টার মোহাম্মদ খিজির, মাওলানা আব্দুল কাদের, মোহাম্মদ মিজানুর রহমান প্রমূখ।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এ প্রতিষ্ঠানের পড়ালেখার মান দিন দিন বাড়ছে। ২০০৮সালে এমপিওভূক্ত হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ১১জন পরীক্ষার্থী জিপিএ ফাইভ অর্জণ করেছে। দাখিল, জেডিসি ও ইবতেদায়ী সমাপণী পরীক্ষায় প্রতিবছরের শতকরা পাশের হারও ভালো। তবে কেরানীহাট-হাঙ্গুরমুখ সড়কের বেহালদশার কারণে প্রতিনিয়ত শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও পথচারিদের সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হয় বলে জানিয়ছেন স্থানীয় জনসাধারণ।


(আপনার মোবাইল নম্বরটি অপ্রকাশিত থাকবে)


(আপনার ইমেইল এ্যাড্রেসটি গোপন রাখা হবে)


(বাংলায় মন্তব্য লিখতে ইউনিকোড বাংলা সফ্‌টওয়্যার ব্যবহার করুন)

পাতার শুরুতে