বগুড়ার নন্দিগ্রাম ইউএনও অফিসে আওয়ামী হামলা ব্যাপক ভাংচুর লুটপাট
আর এইচ রফিক, বগুড়া প্রতিনিধি : বগুড়ার নন্দিগ্রামের সরকারী খাস জলমহাল ও পুকুরের ইজারাকে কেন্দ্র করে ইউএনও অফিসে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর ও লুটপাট চালিয়েছে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা কর্মীরা।এসময় তাদের হাতে শারীরিক ভাবে লানছিত করা হয়েছেন অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারীরা।ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার দুপুরে।একই সময় ভাংচুর করা হয়েছে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যানের অফিস ।এঘটনায় নন্দিগ্রাম ইউএনএর পক্ষে স্থানীয় থানায় আওয়ামী লীগের শীর্ষ ১০ নেতা কর্মীর নাম উল্লেখ সহ আরো অজ্ঞাত ১০/১২ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। গতকাল রাতে বিষয়টির সত্যতা স্বিকার করে অনলাইন নিউজ বিএনবি’কে নিশ্চিত করেছেন নন্দিগ্রাম উপজেলা অফিসার (ইউএনও) মির্জা সাকিলা দিল হাসিন ও নন্দিগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (প্রশাসন) তোফাজ্জল হোসেন ।
জানা গেছে, উপজেলার আওতায় প্রায় ৫শতাধিক সরকারী জল মহাল ও পুকুরের মধ্যে ৩২৬টি জল মহালের ইজারা টেন্ডার সুনিদিষ্ঠ অভিযোগের ভিত্তিতে বাতিল করা হয় । এর কয়েক দিনের মধ্যেই সমবায় এর মাধ্যমে স্থানীয় ৭৫টি সমিতির আবেদন সাপেক্ষে পূনঃ টেন্ডার আহবান করা হয়।বিষয়টি স্থানীয় ক্ষমতাসিন দলীয় নেতারা ভাল ভাবে না মেনে নিতে পারায় গতকালের উদভুত পরিসি’তির সৃষ্টি হয় । রবিবার দুপুরে বিষয়টি নিয়ে আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতাদের নের্তৃতে শতাধিক নেতা কর্মী হরতাল বিরোধী মিছিল শেষে ইউএনও অফিসে চড়াও হয় ।
প্রত্যক্ষদর্শী একাধিক সুত্র জানায়, বেলা ১টার দিকে আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীরা প্রথমে ইউএনও অফিসে চড়াও হয় ।এসময় ইউএনও মির্জা সাকিল অফিসে না থাকায় তারা ইউএনও অফিসের (অফিস সুপার) শহীদুল ইসলাম ও ইউএনও’র একান্ত সহকারী মাহবুব আলমের উপর হামলা চালিয়ে তাদের শারীরিক ভাবে লাঞ্ছিত করে সেখানে সন্ত্রাসের রাজত্বকায়েম করে । পরে তারা পর্যায় ক্রমে অফিসের আসবাব পত্র ,টেবিল চেয়ার , জানালার কাঁচ ভাংচুর করে।একই সময়ে তারা টেন্ডার সংক্রান্ত কাগজপত্র লুটপাট এবং ছিড়ে ফেলে।একই ভাবে তারা উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুর রহিমের অফিসে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর চালায় ।
এবিষয়ে বগুড়া পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সায়েম আহম্মেদ এর সাথে কথা বলা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বিকার করে বলেন , এঘটনায় এক জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে । একই সাথে অন্যদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।











